• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Judge

দেশ

মহা টুইস্ট! বাইজুর বিরুদ্ধে ‘বিলিয়ন ডলারের ষড়যন্ত্র’? আদালতে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস

বাইজুর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া আগের রায় পাল্টে দিল ডেলাওয়ারের দেউলিয়া আদালত। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাইজু রাভীন্দ্রনকে ১.০৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। অভিযোগ ছিল, বাইজুর সাবসিডিয়ারি Byjus Alpha-র টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে নতুন শুনানিতে আদালত জানায়, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ এখনো ঠিক হয়নি। জানুয়ারি ২০২৬-এ নতুন পর্বে শুরু হবে ক্ষতির হিসেব নির্ধারণের প্রক্রিয়া।এর আগে আদালত বলেছিল, একাধিকবার নির্দেশ অমান্য করেছেন রাভীন্দ্রন। তাই চারটি আলাদা গণনায় মোট ১.০৭ বিলিয়ন ডলার দিতে হবে এবং সম্পূর্ণ হিসেব দিতে হবে Alpha Funds-এর। Byjus Alpha তৈরি হয়েছিল ২০২১ সালে ১.২ বিলিয়ন ডলারের টার্ম লোন তোলার জন্য। ঋণদাতারা দাবি করেছিলেন, এর মধ্যে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার রাউন্ড-ট্রিপ করে রাভীন্দ্রন ও তাঁর সংস্থাগুলিতে গেছে। যদিও বাইজুর প্রতিষ্ঠাতা পক্ষ এই অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন।নতুন সিদ্ধান্তের পরে রাভীন্দ্রনের আইনজীবীরা পাল্টা দাবি তুলেছেন যে ঋণদাতা GLAS Trust এবং অন্যান্যরা আদালত ও জনসাধারণকে ভুল তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ভুল তথ্যের জেরে কোম্পানি ভেঙে পড়েছে, প্রায় ৮৫,০০০ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ২৫ কোটি ছাত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাভীন্দ্রন জানিয়েছেন, তিনি আদালতে প্রমাণ দেখাবেন যে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য নয়, বরং নিয়ম মেনে Think Learn-এ বিনিয়োগ করা হয়েছিল।আইনজীবীদের দাবি, GLAS Trust জানতে না পারার যে দাবি করেছে, তা মিথ্যা। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকেই তাদের কাছে থাকা নথি প্রমাণ করে যে Alpha-তে পাঠানো টাকা ভারতীয় আইন মেনে কোম্পানিতে ফিরেই বিনিয়োগ হয়েছিল।রাভীন্দ্রন আরও বলেন, আদালতকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং এই ভুল তথ্যের জন্য GLAS Trust ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তিনি নতুন আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। তাঁর পক্ষের আইন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বছরের শেষের আগেই ২.৫ বিলিয়ন ডলারের পাল্টা মামলা দায়ের করা হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
বিদেশ

সেনাপ্রধানকে সর্বশক্তিমান করতে সংবিধান সংশোধন—বিচারপতিদের একের পর এক পদত্যাগে তুমুল তোলপাড়

পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই এবার ভয়ঙ্কর সংকট তৈরি হয়েছে দেশের বিচার ব্যবস্থায়। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের যুগলবন্দিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে যে স্বৈরশাসনের অভিযোগ বহুদিন ধরেই উঠছিল, এবার তা যেন আরও বাস্তব হয়ে উঠল। সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে একের পর এক বিচারপতি ইস্তফা দিচ্ছেন। সর্বশেষ লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি শামস মেহমুদ মির্জা নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগে মাত্র একদিনের ব্যবধানে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি পদত্যাগ করেছিলেন।বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, শাহবাজ সরকার সংবিধান পাল্টে দেশে প্রায় সামরিক শাসনের মতো পরিবেশ তৈরি করছে। নতুন সংশোধনীতে সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে দেওয়া হয়েছে অসামান্য ক্ষমতাএমন রক্ষাকবচ আগে কোনও সেনাপ্রধান পাননি। উল্টো দিকে, সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সম্পর্কিত মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্টের বদলে নতুন সাংবিধানিক আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মূল কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই ঘটনা চরম অচলবস্থা তৈরি করেছে পাকিস্তানে। বিচারপতিরা প্রকাশ্যে বলছেন, এভাবে আদালতের ক্ষমতা খর্ব এবং সেনাকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হলে গণতন্ত্র রক্ষা অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাঁদের মতে, এই সংশোধন সংবিধানের আত্মাকে আঘাত করছে।গত বুধবার জাতীয় সংসদে সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিল পাশ করে শাহবাজ সরকার। ওই আইন অনুসারে প্রথমবার সেনাবাহিনীতে সৃষ্টি করা হয়েছে নতুন একটি পদচিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস। এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে আসিম মুনিরকে। এরপর প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি তড়িঘড়ি সই করে দিয়েছেন বিলে। আর এর পরপরই দুই সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি ও লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি ইস্তফা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁদের ক্ষোভ।পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনা ও প্রশাসনের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া এই ক্ষমতার গঠন গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর। বিচারব্যবস্থার উপর চাপ বাড়লে সামনে আরও বড় সংকট দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেপাকিস্তান কি সত্যিই নতুন একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

বিশ বাওঁ জলে '১০০ দিনের' ভবিষ্যৎ, অথৈ জলে সুবিধাভোগী জনগণ

পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পের অর্থ বণ্টন ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে এক মামলায় একাধিক বিচারপতির বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। ইতিমধ্যে এই মামলার শুনানি থেকে একাধিক বিচারপতি বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে, যা মামলার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ বিলম্বিত করছে। এই কারণে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই মামলার শুনানি থেকে একাধিক বিচারপতি বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে, যা মামলার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ বিলম্বিত করছে। এই কারণে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলাটি ছিল বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি মিতা দাস-র ডিভিশন বেঞ্চে। মঙ্গলবার সেই মামলাটি ছেড়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে এই মামলাটি ছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। তিনি ইতিমধ্যে তার হাতে থাকা সমস্ত জনস্বার্থ সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যহতি নেন। সেই সময়েই এই ১০০ দিনের কাজের মামলাও ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার পরে যেখানে মামলা গিয়েছিল, সেই ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি মিতা দাস-র ডিভিশন বেঞ্চেও ছেড়ে দিল মামলাটি।উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে (MGNREGA) ভুয়ো জব কার্ড, মৃত ব্যক্তির নামে জব কার্ড এবং অসত্য তথ্য দিয়ে জব কার্ড তৈরি করে কেন্দ্রের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা স্রকারি মদতপুষ্ট কিছু আসাধু মানুষজন। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করে, যারা তদন্ত করে জানায় যে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মালদহ এবং দার্জিলিং জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে এবং মোট ২ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রের গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে এবং আগামী ১৫ মে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে। এই রিপোর্টে রাজ্যের বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে অর্থ বিতরণের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে। এই মামলার অগ্রগতি এবং পরবর্তী শুনানির ফলাফলের উপর নির্ভর করবে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ।

মে ১৩, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নগর দায়রা আদালত ভবন চত্বরে বিচারকের নিরাপত্তারক্ষীর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য

কলকাতার নগর দায়রা আদালতের গ্রাউন্ড ফ্লোরে এক বিচারকের দেহরক্ষীর মৃত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার সকাল ৭ টা নাগাদ আদালত ভবনের নিচের তলায় চেয়ারে বসা অবস্থায় গোপাল নাথের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এদিকে এই ঘটনার পরেই হেয়র স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্তে পৌঁছোয়। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ ঘটনার তদন্ত করছে। তাঁর দেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি নাইন এমএম পিস্তল। সেটি তাঁরই সার্ভিস রিভলবার বলে জানা গিয়েছে। সেই পিস্তলে একটি গুলি কম রয়েছে বলে খবর। তার কপালে গুলির আঘাতের চিহ্ণ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছেন পুলিশ। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানানো যাবে না বলেই তাঁরা জানিয়েছেন। দেহরক্ষীর বাড়ি মালদা। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ব্যক্তিগত কোনও সমস্যায় জড়িয়ে ছিলেন কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৫
রাজ্য

আসানসোল সিবিআই কোর্টের বিচারককে বেনামী হুমকি চিঠির অভিযোগে আইনজীবী সুদীপ্ত রায় গ্রেফতার

রাতভর ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মামলার বিচারককে হুমকি চিঠির ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার হয় বর্ধমান আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়কে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোমবার রাতেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারির চিনুই (সাহানুই) গ্রাম থেকে ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের সহকারী দীপক মহুরীকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আসানসোল আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন সুদীপ্ত। খবর পেয়েই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।এখানে উল্লেখ্য ২০ আগষ্ট আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে লেখা হয় গরু পাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারকে গাঁজা কেসে ফাঁসানো হবে। সেই চিঠির প্রেরক হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের এগজিকিউটিভ আদালতের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক (ইউডিসি) বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ও সই ছিল। বাপ্পা প্রথম থেকেই বলে আসছেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।হুমকি চিঠির তদন্তে গত বৃহস্পতিবারও বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বাপ্পা দাবি করেন, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়, তোর যা ব্যবস্থা করার, হয়ে গিয়েছে। এ বার তোর চাকরি খাব। বাপ্পাবাবু গোটা বিষয়টি বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসককে জানান। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তেরই হাত রয়েছে। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। তার পরেই সোমবার গ্রেফতার হয় সুদীপ্ত।সোমবার গভীররাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বর্ধমান থানার পুলিশের সহযোগিতায় ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশী চালায়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালত চত্তরে সিমেন্টের বিশাল চাঙর খসে পড়ল বিচারকের গাড়িতে, অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা বিচারক ও চালকের

বিচারকের গাড়িতে চাঙর খসে পড়লো। অল্পের জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন বর্ধমান জেলা আদালতের বিচারক। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত ভবনের চারতলার সিলিং থেকে খসে পড়ে বড় মাপের সিমেন্টের চাঙর। তাতে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় বিচারকের গাড়ির কাঁচ। বিচারক তখন গাড়িতেই ছিলেন। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তিনি। ঘটনায় আদালত চত্বরে শোরগোল পড়ে যায়। আদালত ভবনের বেহাল দশা ও তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইনজীবী থেকে শুরু করে বিচারপ্রার্থীরা। অবিলম্বে আদালত ভবনের সংস্কারের দাবি জানান তাঁরা। মুহূর্তে খবর যায় জেলা প্রধান বিচারকের কাছে। খবর দেওয়া হয় পূর্ত দপ্তরকে। পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস মিলেছে বলে দাবি আদালত কর্তৃপক্ষের। ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। সিলিংয়েও ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে নিউ বিল্ডিংয়ে প্রবেশ পথের নীচে পার্কিং প্লেসে প্রথম সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশনের গাড়ি রাখা ছিল। তিনি গাড়িতেই ছিলেন। চালক গাড়িতে স্টার্ট দিচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকা চার তলার সিলিং থেকে একটি বড় চাঙর খসে গাড়ির কাচে পড়ে। পিছনের সিটে বসেছিলেন বিচারক পুকার প্রধান। চাঙর পড়ে পিছনের কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। আচমকা এ ধরণের ঘটনায় বিহ্বল হয়ে পড়েন বিচারক। আশপাশের লোকজন সেখানে দৌড়ে যান। বিচারককে গাড়ি থেকে নামানো হয়। মুহূর্তে খবর চলে যায় জেলা জজের কাছে। এরপরই তৎপরতা শুরু হয়। আদালত ভবনের অবিলম্বে সংস্কার প্রয়োজন। তা না হলে যে কোনও দিন কোনও বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রতকে জামিন না দিলে মাদক কেসে ফাঁসানোর হুমকি বিচারককে

আসানসোলের সিবিআই কোর্টের বিচারককে হুমকি চিঠি। ঘটনাই চাঞ্চল্য ছড়ালো আসানসোল ও বর্ধমানে। অভিযোগ বর্ধমান কোর্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হেড ক্লার্কের বিরুদ্ধে। এই ঘোরতর অভিযোগ যার দিকে, বর্ধমান কোর্টের সেই হেড ক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জি জানান, আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। আপনাদের কাছ থেকে প্রথম শুনছি। এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কেউ কি আপনার নাম করে এই হুমকি চিঠি দিয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে বাপ্পা বাবু জানান সেটাও আমি কিছু বুঝতে পারছি না। এখানে উল্লেখ্য বাপ্পা তৃণমূলের জেলাভিত্তিক কর্মচারী সংগঠনের সদস্য।বাপ্পার নামে হুমকি চিঠি আসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। চিঠিটি যে খামে করে পাঠানো হয় তাঁর উপর বাপ্পা চ্যাটার্জির নামে সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে। বাপ্পা জানিয়েছেন, তাঁর এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। তিনি আরও জানান, সিলমোহর তাঁর কাছেই আছে। চুরি যায়নি, হয়ত কেউ কেউ ওই সিলমোহর নকল করে এই কান্ডটি ঘটিয়েছে।প্রসঙ্গত আগামিকাল বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের শুনানি আছে আসানসোল সিবিআই কোর্টে। অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় আপাতত সিবিআই হেপাজতে আছেন।

আগস্ট ২৩, ২০২২
বিদেশ

Pakistan Female Judge: পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি হতে চলেছেন আয়েশা মালিক

পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতির পদে বসতে চলেছেন এক মহিলা বিচারপতি! গত বছর সেপ্টেম্বরেই পাক সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হিসেবে আয়েশা মালিকের নাম সুপারিশ করেছিল জুডিশিয়াল কমিশন অব পাকিস্তান (জেসিপি)। কিন্তু কমিশনের চার সদস্য তাঁর এই পদোন্নতির পক্ষে সওয়াল করলেও বাকি চার সদস্য তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দেন। এ বার অবশ্য বিচারপতি আয়েশা মালিকের পক্ষেই ভোট পড়েছে বেশি। সুতরাং বলাই যায়, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি হওয়া থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছেন তিনি।হার্ভার্ড আইন স্কুলের স্নাতক বিচারপতি আয়েশা বর্তমানে লাহোর হাইকোর্টের বিচারপতি। এর আগে বহু গুরুত্বপূর্ণ এবং নজিরবিহীন রায় দিয়েছেন তিনি। যার মধ্যে কোনও নির্বাচনী প্রার্থীর সম্পত্তি ঘোষণা অন্যতম। গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর জেসিপি-র বৈঠকে তাঁর নাম নিয়ে প্রথম আলোচনা হয়েছিল। গত কাল বিষয়টি নিয়ে ফের বৈঠকে বসেছিল জেসিপি, যার মাথায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি গুলজার আহমেদ। জেসিপি-র সুপারিশ এর পরে পার্লামেন্টের কমিটির কাছে যাবে। ওই কমিটির সিদ্ধান্তই এ বিষয়ে চূড়ান্ত বলে মেনে নেওয়া হয়।বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সাধারণত জেসিপি-র সুপারিশে আপত্তি করে না এই কমিটি। ফলে সে দিক থেকে দেখতে গেলে বিচারপতি আয়েশার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হওয়া কার্যত পাকা।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

SIT: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিট-এর মাথায় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিটের মাথায় বসানো হল অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুরকে। হাইকোর্টের গড়ে দেওয়া সিটের প্রধান হলেন কলকাতা এবং বম্বে হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর। উল্লেখ্য, আর কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ফাঁকা না থাকার কারণে মঞ্জুলা চেল্লুরকে সিটের মাথায় বসালো হাইকোর্ট। আরও পড়ুনঃ ইডার দাপটে লন্ডভন্ড নিউইয়র্ক, মৃত অন্তত ৪৪ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর অভিযোগে তদন্তে সিট গঠন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। তিন সদস্যের এই সিটের দায়িত্ব দেওয়া হয় কলকাতা পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র, আইপিএস সুমনবালা সাহু ও রণবীর কুমারকে। সম্প্রতি হাইকোর্টে এক মামলাকারী জানিয়েছিলেন, আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত করেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার সিট গঠন করতে পারেনি এখনও। এ বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল। এরপর তড়িঘড়ি সিট গঠন করে নবান্ন।স্রেফ সিট গঠন করাই নয়, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য ১০ আইপিএস নিয়োগ করে নবান্ন। রাজ্যকে ভাগ করা হল পাঁচটি জোনে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে ২ জন আইপিএস।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে রচিত হতে চলেছে নতুন ইতিহাস

শীর্ষ আদালতে রচিত হতে চলেছে নয়া ইতিহাস। কলোজিয়ামের সুপারিশেই আগেই শিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। তিন মহিলা বিচারপতি-সহ মোট ৯ বিচারপতি শপথ নিচ্ছেন আজই। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রমণের উপস্থিতিতে শপথ নেবেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডিশনার বিল্ডিং কমপ্লেক্সের অডিটোরিয়ামে হবে সেই শপথ অনুষ্ঠান। এর আগে কখনও এ ভাবে নতুন বিচারপতিরা একসঙ্গে শপথ নেননি। তাই এ দিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৈরি হবে এক নয়া ইতিহাস।আরও পড়ুনঃ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই রকেট হানা, ভয়ে কাঁপছে কাবুলবাসীআজ যাঁরা শপথ নেবেন, তাঁরা হলেন কর্নাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এএস ওকা, বিচারপতি বিভি নাগারত্ন, তেলঙ্গনা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিমা কোহলি, গুজরাত হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিক্রম নাথ, সিকিমের প্রধান বিচারপতি জেকে মহেশ্বরী, কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি সিটি রবিকুমার, মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ, গুজরাত হাইকোর্টের বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী ও আইনজীবী পএস নরসিমহা।সাধারণত প্রধান বিচারপতির ঘরেই শপথ নেন নতুন বিচারপতিরা। এ দিন ৯ বিচারপতি শপথ নিলে সুপ্রিম কোর্টে মোট বিচারপতির সংখ্যা হবে ৩৩। মোট ৩৪ বিচারপতি পদ রয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। অর্থাৎ একটি পদ খালি থেকে যাবে। সুপ্রিমকোর্টের জনসংযোগ দপ্তর থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে প্রথমবার ৯ বিচারপতি একই সঙ্গে শপথ গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া এই প্রথম শপথ অনুষ্ঠান হবে অডিটোরিয়ামে। কোভিড বিধি মেনে চলার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Pegasus Row: বড় খবর: দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতার

ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। সোমবার দিল্লি যাওয়ার আগে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ কথা ঘোষণা করেন। দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করেছে রাজ্য সরকার।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছি আমরা। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অবসপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লকুর ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এই তদন্ত কমিশনের দায়িত্বে থাকবেন। এনকোয়্যারি অ্যাক্ট (১৯৫২)-এর আওতায় এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রথম কোনও রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হল তদন্ত কমিশন। মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে কমিশন গঠনের প্রস্তাবে সিলমোহর পড়ল। কমিশনের দায়িত্বে রয়েছেন ২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এদিন কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি না জাগে, তাঁকে জাগাতে হয়। আশা করব আমাদের পদক্ষেপ বাকিদেরও জাগিয়ে তুলবে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলউল্লেখ্য, আজ দুপুরেই দিল্লি উড়ে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজধানীতে একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তবে, দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সোমবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই এই বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে চাঁচাছোলা ভাষায় কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পেগাসাস ব্যবহার করে সাংবাদ মাধ্যম, আইনজ্ঞ মহল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সংসদ চলাকালীন আমরা ভেবেছিলাম, সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চয়ই তদন্ত করাবে। সেক্ষেত্রে মানুষ বিচার পাবে। কিন্তু আমরা যখন দেখলাম সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। তখন দিল্লি যাওয়ার আগে আমি বিচার বিভাগীয় কমিশন তৈরি করে দিলাম।

জুলাই ২৬, ২০২১
কলকাতা

Nandigram Case: নন্দীগ্রাম মামলা কী শুনবেন কৌশিক চন্দ? বুধবার রায়

ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাশে। কিন্তু বিচারপতি কৌশিক চন্দ বিজেপি ঘনিষ্ঠ, এমন দাবি করে মামলা সরানোর আর্জি জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৪ জুন সেই আবেদনের শুনানি হয়েছিল। কেন কৌশিক চন্দের এজলাস থেকে মামলা সরানোর কথা বলা হচ্ছে, তা তুলে ধরেন মমতার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। আগামী বুধবার সেই আবেদনের রায় দেবে হাইকোর্ট। অর্থাৎ বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানাবেন, তিনি মামলাটি নিজের এজলাশে রাখছেন কি না।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে লাইনচ্যুত আপ হাওড়া-রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের বগি, অল্পে রক্ষাআগেই সংশ্লিষ্ট বিচারপতির ইতিহাস টেনে মমতা দাবি করেন, আইনজীবী থাকাকালীন কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। তিনি এই মামলার বিচার করলে রায় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মহলের একাংশও ডেপুটেশন দিয়ে জানিয়েছিলেন, কোনওভাবেই যেন বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে এই মামলার শুনানি না হয়। তবে তারপরও বিচারপতি চন্দের এজলাসেই মামলার শুনানি চলে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেগত ২৪ জুন মমতার আবেদনের পক্ষে সওয়াল করেন অভিষেক মনু সিংভি। তিনি জানান, বিচারপতি চন্দের নিজেরই এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানো উচিৎ৷ মামলার নিরপেক্ষতা নিয়ে কেন সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে, বিচারপতি চন্দ তা অভিষেক মনু সিংভির কাছে জানতে চান। বিচারপতিও বলেন, মমতার আইনজীবীর তালিকায় যদি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য থাকতে পারে, তাহলে বিচারপতির ক্ষেত্রে অসুবিধা কোথায়?

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

প্রয়াত বিচারপতি অমিতাভ লালা

প্রয়াত হলেন বিচারপতি অমিতাভ লালা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। সম্প্রতি তিনি বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার রাত ১০টা ৫০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি নিমনাইটিস নামক অসুখে ভুগছিলেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মিমের একাধিক নেতার যোগ তৃণমূলে বাম জমানায় একাধিক ইস্যুতে তিনি সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। বিজন সেতুতে আনন্দমার্গী গণহত্যার সত্য উদ্ঘাটনে যে তদন্ত কমিশন গঠিত হয়, তার দায়িত্বে ছিলেন এই স্বনামধন্য বিচারপতি। বিচারপতি লালা বিঞ্জান ও কলা বিভাগে স্নাতক পাশ করেন যথাক্রমে ১৯৬৮ ও ১৯৭৩ সালে, এবং ১৯৭৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৩ই মার্চ আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। দেওয়ানী, সাংবিধানিক এবং অন্যান্য বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে অনুশীলন করেন। ১৯৯৭ সালের ১২ই মে কলকাতা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসাবে উন্নীত হন। ২০০৫ সালের ৭ই জানুয়ারি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারক হিসাবে যোগদান করেন। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে ২০১০ সালের ২৫শে জুন, ২০১১ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০১১সালের ৪ঠা আগস্ট, এবং অবসর গ্রহণের তারিখ অবধি (০৮ আগস্ট, ২০১২) অবধি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসাবে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সমাজের বিভিন্ন স্তরে ও আইনজীবী মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

জেলা আদালত চালু না হওয়ায় হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী

২০১৮ সালে আলিপুরদুয়ারকে জেলা ঘোষণার পর জেলা প্রশাসনের সমস্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলে আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু চালু হয়নি জেলা আদালত। আলিপুরদুয়ার বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুহৃদ মজুমদার জানান, জেলা ঘোষণার পর জেলা আদালত চালু করার জন্য মহকুমা শাসকের দপ্তরটিতে জেলা আদালতের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়। সাইনবোর্ডও লাগানো হয়। আরও পড়ুনঃ মিহির গোস্বামীকে নিয়ে বিশেষ মাথা ব্যথা নেই বিজেপিরঃ সায়ন্তন উচ্চ আদালতের প্রতিনিধি দল পরিদর্শণ করে জানায় যে এই পরিকাঠামো জেলা আদালত চালু করার জন্য সন্তোষজনক নয়। জেলা আদালত চালু করতে হলে নতুন ভবন নির্মাণ করতে হবে। সেই অনুযায়ী একটি সাততলা ভবনের প্ল্যান হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এর ফলে হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী।

অক্টোবর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal